1. admin@bdjournalist.com : স্টাফ রিপোর্টার : Md Rashedul Alam
  2. hmiraj550@gmail.com : Miraj Hossain : Miraj Hossain
  3. commercila.rased@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : Md. Jahangir Alam polok
  4. rjarifchowdhury@gmail.com : নিউজ ডেস্ক, : নিউজ ডেস্ক,
  5. cruz_wylie9@kinokradco.ru : cruz66221990322 :
  6. md7574@gmail.com : shamim miya :
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাথরঘাটা-ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান আর নেই তালায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন পিতাকে পুত্রের মারধর, বাড়ি থেকে বেরুবার রাস্তা বন্ধ বাবার কিশোরীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য ও ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের, ধর্ষকসহ আটক ৪ কেশবপুরে উন্মুক্ত ভর্তি লটারী ২০২১ অনুষ্ঠিত “২১শে গ্রেনেড হামলায় আহত খোকন প্রার্থী হচ্ছেন” মাধবপুর পৌর নির্বাচন:প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠছে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০ কেন্দুয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রচারণায় ছাত্রলীগ বগুড়ায় রেলক্রসিং ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে মুচড়ে গেছে ট্রাক লাফিয়ে প্রাণরক্ষা চালকের

করোনাকালে কলেজ বন্ধ, হাঁস পালনে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার চেষ্টায় আঁখি

Reporter Name
  • শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০
ফাইল ছবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ১০.০৭.২০২০

করোনা প্রাদুর্ভাবে কয়েক মাস থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনায় প্রাদুর্ভাবে বাইরে বের হওয়ার বিধি নিষেধ থাকায় এবং পড়াশোনার চাপ না থাকায় শিক্ষার্থীরা বাড়িতে বসে অনেকটা অলসতায় অবসর সময় অতিবাহিত করছেন। তবে সবাই যে অলসতায় গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন এমনটা নয়। অনেকে বাড়িতে অতিবাহিত এই অবসর সময়টা নিজেদের শখের কাজে স্বপ্ন পূরণেও ব্যয় করছেন। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সরকারি ডিগ্রি কলেজে স্নাতক সম্মান শ্রেণির বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফা সুলতানা আঁখি তেমনই একজন। কলেজ বন্ধের এই সময়টা হেলায় ফেলায় না কাটিয়ে বাড়িতে বসে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি নিজের শখের পাখি হাঁস পালনে ব্যয় করছেন। আঁখির বাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের সোনাইকাজী গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। তার বাবা আজিজার রহমান একজন সাধারণ কৃষক। মা গৃহিনী। চার ভাই বোনের মধ্যে আঁখি তৃতীয়।

স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আঁখি শিক্ষা জীবন থেকেই নিজেকে স্বাবলম্বি করার জন্য প্রস্তুত করতে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে কুড়িগ্রাম যুব উন্নয়ন থেকে বেইজিং হাঁস পালনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় প্রশিক্ষণের যথাযথ প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছিলেন না আঁখি। তাই এই করোনাকালীন ছুটিতে হাঁসের খামার করে বেইজিং জাতের দেড়শ’ হাঁসের বাচ্চা পালন শুরু করেছেন আঁখি। নিজে উদ্যোক্তা হয়ে অবসরটাকে শতভাগ কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বি হওয়ার সিঁড়িতে পা রাখতে চাচ্ছেন আঁখি।

আঁখির হাঁসের খামারে গিয়ে দেখা যায়, নিজের খামারে হাঁসের বাচ্চাদের খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বাচ্চাগুলোর যত্ন নিচ্ছেন তিনি। আঁখি জানান, এক দিন বয়সের বাচ্চা দিয়ে ১০ জুন খামার শুরু করেছেন। এখন বাচ্চাগুলোর বয়স একমাস।  খামার করতে খরচ হয় ঘর ও হাঁসের ১৫০ টি বাচ্চা ক্রয় এবং ঔষধ পত্রসহ এখন পর্যন্ত ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আরও ৩শ বাচ্চার অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আগষ্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে নিয়ে আসবো। আঁখি প্রতিদিন নিয়মিত বাচ্চার গুলোর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন যত্ন নিচ্ছে। এভাবে দুই থেকে আড়াই মাস বাচ্চাগুলো পালন করার পর এগুলো বিক্রির উপযুক্ত হবে। হাঁসের বাচ্চা পালন-পালন করে ভাল মুনাফা পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

আরিফা সুলতানা আঁখি আরও জানান করোনায় কলেজ বন্ধ থাকায় বাড়িতে পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়কে কাজে লাগাতে হাঁসের খামার শুরু করেছি। এতে সময়টা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় হবে যা দিয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ চালানোর সাথে সংসারে বাবা মাকে আর্থিক সহায়তা করতে পারবো। সেই সাথে আমাদের গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও উদ্যোগী হবেন।

আঁখির বাবা আজিজার রহমান ও মা ছালেয়া বেগম জানান আমার মেয়েটার অনেক দিনের স্বপ্ন সে হাঁসের খামার দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। তাই করোনাকালীন মেয়ের কলেজ বন্ধ থাকায় আমাদের সহযোগীতায় খামার শুরু করেছে। সবাই মেয়েটার জন্য দোয়া করবেন। সে যেন পড়াশুনার পাশাপাশি তার লক্ষ্যে পৌছাতে পারে। আবদার ,

স্থানীয় মকবুল হোসেন ও আহসান হাবিব জানান,আঁখি মেয়ে হয়ে যে সাহসী ভ’মিকা হাতে নিয়েছে আমরা তার জন্য উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করছি। আঁখি যেন তার স্বপ্ন পুরণ করে এবং আঁখি যেন গ্রামের বেকার ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে ।

 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মাহমুদুল হাসান জানান, আঁখি যে সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, সত্যি খুব প্রশংসানীয় উদ্যোগ। তিনি ১৫০ টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে খামার শুরু করেছেন। করোনাকালী এই দুর্যোগের মধ্যে ঘরে বসে না থেকে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। যেন তাকে দেখে তার পাশাপাশি গ্রামের বেকার ছেলে-মেয়েরাও এ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ আঁখিকে সাধু বাদ জানাই এবং প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সব সময় পাশে থাকবে। সেই সঙ্গে আঁখির হাঁসের বাচ্চার চিকিৎসা সেবাসহ সব ধরণের সহযোগীতা প্রদান করা হবে।  

Social Media

আরও খবর পড়ুন
                     
                   
error: Content is protected !! You are not allowed to copy, Thank you