জামালপুরে বিদেশী ভূয়া ডলারের কারখানার সন্ধান।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি,

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিদেশী ভুয়া ডলারের কারখানায় প্রতিনিয়তই প্রতারিত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।

এ চক্রের নেটওর্য়াক সারা দেশ জুড়ে। এই নেটওয়ার্কই গ্রাহক সংগ্রহ করে বকশীগঞ্জের মেষেরচর ও বড়ইতাড়ি, সাধুরপাড়ার কামালের বার্তী ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে নিয়ে যায়। পরে সেখানেই সব কিছু লুট করা হয়।

বর্তমানে ইন্টারনেটের কারণে এই ডলার ব্যবসার পরিধি বেড়ে গেছে কয়েকগুন।

প্রতিনিয়তই মানুষকে ধোকা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। এই চক্রের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেও সাহস পায় না। বড় বিপদের আশংকায় পুলিশকেও জানাতে চায় না ভুক্তভোগিরা।

এদিকে নির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকার কারণে স্থানীয় থানা পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে না।

যেভাবে প্রতারণার শিকার হয় মানুষঃ

কেস স্ট্যাডি-১

আব্দুর রহিম, ঢাকায় একটি রিক্সা গ্যারেজে চাকুরী করে। কয়েকদিন চাকুর করার পর ১০ ডালারের একটি নোট হাতে তোলে দেয় গ্যারেজ মালিককে। পরে মালিক সেই টাকা ব্যাংক থেকে ভাঙ্গিয়ে নেয় ৭৫০ টাকায়। এর পর আব্দুর রহিমকে দেয় ৫০০ টাকা আর বাকী টাকা রেখে দেয় গ্যারেজ মালিক।

পরে কয়েকদিন পর আবারও ২টি ১০ ডালারের নোট তোলে দেয় গ্যারেজ মালিককে। সেই একই ‍অবস্থা ১০০০ টাকা দিয়ে বাকী টাকা রেখে দেয় গ্যারেজ মালিক।

পরে ডালার সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে চায় গ্যারেজ মালিক। এ সময় রহিম জানায়, এরকম নোট তার কাছে কমপক্ষে ১০০০টি রয়েছে। কথা শোনেই লোভে পড়ে যায় গ্যারেজ মালিক। নোট নিতে আসে জামালপুরের বকশীগঞ্জে। সুবিধামত জায়গায় নিয়ে গিয়ে সমস্ত টাকা লুট করে আব্দুর রহিম ও তার সহযোগিরা।

এটি একটি মাত্র উদাহারণ মাত্র। নারী সেজে, ছাত্রী সেজে, ভিখারী সেজে, বাড়ীর কাজের মেয়ে সেজেও এ ধরনের ব্যবসা চালাচ্ছে প্রতারক চক্ররা।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে