টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় বাহাছরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকতসহ ২০ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক।

রবিবার স্থানীয় বাহারছড়া চেকপোস্টের ইনচার্জ লিয়াকতসহ অন্যদের প্রত্যাহারের আদেশ দেয়া হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে ‘গাড়ি তল্লাশি’কে কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা নিহত হন।  

পুলিশের দাবি, গাড়িটি মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে আসলে পুলিশ তল্লাশি করতে চাইলে গাড়িতে অবস্থানকারীরা বাধা দেন। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের তর্ক-বিতর্কও হয়। এক পর্যায়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা পিস্তল বের করেন। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এতে আহত সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

গাড়ি থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ইয়াবা, বিদেশি মদের বোতল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়- এমন দাবিও করে পুলিশ। আটক করা হয় দুইজনকে।  টেকনাফ থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুইটি মামলাও দায়ের হয়।

এদিকে সিনহা রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মন্ত্রী বলেছেন, টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর নেয়া হবে ব্যবস্থা। 

তিনি আরো বলেন, “সাবেক সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি একং সামরিক বাহিনীর একজন প্রতিনিধি রয়েছেন। তাদের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছি আমরা।”

 রবিবার বিকালে যশোরে নিজ গ্রামে সাবেক ওই সেনা কর্মকর্তার দাফন সম্পন্ন হয়।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে