বরগুনায় ৫ নং আয়লা পাতাকাটা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে;অসহায় মহিলাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বরগুনা সদর উপজেলার ৫ নং আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশশাকুর রহমান ফিরোজের বিরুদ্বে মিনারা বেগম(৫০) নামের দরিদ্র মহিলা সাহায্য চাইতে গেলে প্রকাশ্যে তাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ইউনিয়নের কদমতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে, এবং বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে তাকে ধরে নেয় নির্যাতন করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

মিনারা বেগমের বাড়ী আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কেওড়াবুনিয়া গ্রামে। পেশায় একজন নারী শ্রমিক। আজ ইউনিয়ন পরিষদে বে-সরকারী সংগঠন ” সুশীলন” রাস্তার কাজের জন্য ৫ জন নারী শ্রমিক বাছাই করে।

বাছাইয়ে মিনারা টিকতে না পেরে চেয়ারম্যানের নিকট সাহায্য (ত্রান) চাইতে গেলে চেয়ারম্যান প্রথমে তাকে ধমক দেন। মিনারা বেগম বলেন,আমি চেয়ারম্যানের কাছে সাহায্যের জন্য গেলে সে আমাকে বলে তুই নাকি পিছনে বসে আমাকে গালিগালাজ করো এই বলে সে দোকান থেকে বের হয়ে আমাকে প্রথম লাথি মারে লাথি খেয়ে আমি মাটিতে পড়ে যাই পড়ে যাওয়ার পর সে আমাকে আবার লাথি মারে আমি এর বিচার চাই।

দোকানদার মতি বলেন,আমার দোকানের সামনে বসেই ঘটনা ঘটেছে আমার দোকানে চেয়ারম্যান বসা ছিল। হঠাৎ করে ওই মহিলা এসে চেয়ারম্যানের কাছে আকুতি করা শুরু করল, চেয়ারম্যান তাকে দেখে উত্তেজিত হলো কিন্তু তাকে লাথি মেরেছে কিনা সেটা আমি দেখিনি দোকানে ভিড় থাকার কারণে।

আরিফুজ্জামান রেজা বলেন,চেয়ারম্যান দরিদ্র মিনারা বেগম কে লাথি মেরেছে এবং সে পূর্বেও এরকম ঘটনা অনেক ঘটাইছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই ও তদন্তপূর্বক তার বিচারের দাবি করছি।

চেয়ারম্যান আশশাকুর রহমান ফিরোজ মিনারা বেগমকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,এই মহিলা বিভিন্ন সময়ে পরিষদে আমার রুমে গিয়েও বিরক্তি করে। অশোভন কথা বলে। ইউনিয়নের ওয়ার্ড ভিত্তিক ত্রান মেম্বরের মাধ্যমে পাবার পরও নিয়মিত বিরক্ত করে আসছে। আজ পরিষদ থেকে বের হবার পর আবার বিরক্ত করলে আমি তাকে বলি তোকে দরকার লাথি মেরে ফেলে দেয়ার, আমি লাথি মারার জন্য পা তুলেছি ও বলেছি এখান থেকে যা। আমি তাকে লাথি মারিনি।

(বরগুনা বার্তা) সংগৃহীত

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে