টেকনাফের ওসি প্রদীপ সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

নিজস্ব প্রতিবেদক, কামরুল ইসলাম কক্সবাজার।

সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যার দায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। জারি হওয়া আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মো. মোস্তফা। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা আগের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার হয়ে এখন পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছেন।

কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বুধবার রাতেজানান, টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ্’র দেওয়া আদেশের কপি, সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টসসহ টেকনাফ মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়। মোহাম্মদ ফারুক নামে আদালতের একজন বাহককে দিয়ে বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে আদালতের পরোয়ানার আদেশসহ অন্যান্য কাগজপত্র টেকনাফ মডেল থানায় পৌঁছানো হয়।

জানা যায়, মেজর সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলাটি আদালতের আদেশ মতে টেকনাফ মডেল থানায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলাটি রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রাশেদ খানের বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার সকালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মেজর সিনহার সঙ্গী ও ৩১ জুলাইয়ের ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার আদালতে দায়ের করা মামলায় আসামি করা হয়েছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকতসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে। মামলাটি তদন্তের জন্য র‍্যাবকে নির্দেশ দেন আদালত।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ রোডে, শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে মারা যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর রাশেদ সিনহা।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে