রিয়াল মাদ্রিদ  জুভেন্টাসের যেখানে বিদায় মেসির  নৈপুণ্যে বার্সেলোনার সেখানে জয়।

স্পের্ট্স ডেস্ক,

রিয়াল মাদ্রিদ  জুভেন্টাসের যেখানে বিদায় মেসির  নৈপুণ্যে বার্সেলোনার সেখানে জয়।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যেটা পারেননি, লিওনেল মেসি সেটা করে দেখালেন। অবশ্য জুভেন্টাসের হারের জন্য রোনালদোকে দায়ী করা যায় না। তবে বার্সেলোনার জয়ের জন্য মেসির কৃতিত্ব অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কার্যত একক দায়িত্বে সিরি-এ চ্যাম্পিয়নদের ম্যাচ জিতয়েও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট এনে দিতে ব্যর্থ সিআর সেভেন। অন্যদিকে সাধারণ মানের ফুটবল খেলা বার্সেলোনাকে একার কাঁধেই ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ আটে টেনে নিয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন তারকা।

আগের দিন ফরাসি ক্লাব লিঁওর বিরুদ্ধে জিতেও চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ছিটকে যেতে হয়েছে রোনালদোর দলকে। মেসিরা শেষ আটে উঠে গেলেন ঘরের মাঠে নাপোলিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে।

প্রথম লেগে নাপোলির ঘরের মাঠে শেষ ষোলোর অ্যাওয়ে ম্যাচে বার্সেলোনা ১-১ গোলে ড্র করেছিল। ফিরতি লেগে অন্তত ১ গোলের ব্যবধানে জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা নিশ্চিত ছিল বার্সার। মেসিরা ন্যু ক্যাম্পে নাপোলিকে উড়িয়ে দেয় ৩-১ গোলে। বার্সার হয়ে ১টি গোল করেন মেসি। তবে সারা ম্যাচে তিনি দাপটের সঙ্গে বিচরণ করেন।

ম্যাচের ১০ মিনিটে রাকিটিচের পাস থেকে গোল করে বার্সাকে ১-০ এগিয়ে দেন লেংলেট। ২৩ মিনিটে মেসির দুর্দান্ত গোলে ২-০ এগিয়ে যায় বার্সা। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সুয়ারেজ পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নাপোলি ব্যবধান কমাতে সক্ষম হয়। পেনাল্টি থেকে বার্সার জালে বল জড়িয়ে ম্যাচের ফলাফল ৩-১ করেন লরেঞ্জো ইনসাইন।

ম্যাচের চারটি গোলই হয় প্রথমার্ধে। দ্বিতীয়ার্ধ গোলশূন্য থাকায় স্কোরলাইনে কোনো বদল হয়নি। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-২ ব্যবধানে জিতে টানা ১৩ বার চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে জায়গা করে নেয় বার্সা। একটানা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে রেকর্ড গড়ল বার্সেলোনা। শেষ আটে বার্সেলোনাকে টপকাতে হবে বায়ার্ন মিউনিখের কঠিন বাধা

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে