পুলিশ সুপারের নির্দেশে প্রকাশ্যে এস আই লাঞ্চিতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি।

নিউজ ডেস্ক,

বরগুনার  বামনা থানায় ওসি ইলিয়াস  হোসেন প্রকাশ্যে এক এস আই কে গালি ও থাপ্পড়  মারেন এসময় গণমাধ্যম কর্মী রা টেলিভিশন এ লাইভে ছিলেন ঐ বিডিওটি মুহূর্তেই ফেইসবুক  এ ভাইরাল হয়।
পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে গ্রেপ্তার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চলচ্চিত্রকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে বরগুনার বামনা উপজেলায় আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে লাঠিপেটা ও ওসির হাতে পুলিশ সদস্যেক লাঞ্ছিতের ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে জেলা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোফিজুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তিন সদস্যের এই কমিটির সদস্যরা আজ রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কক্সবাজারে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে শনিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার বামনায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে সাহেদুল ইসলাম সিফাতের শিক্ষক, সহপাঠী, স্বজন ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন চলাকালে বামনা থানা–পুলিশের একটি দল প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা ব্যানার-পোস্টার ছিনিয়ে নেয়। এরপর বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস আলী তালুকদার মানববন্ধনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ শুরু করে ছত্রভঙ্গ করে দেন। এতে ১০ শিক্ষার্থী আহত হন।

এ ঘটনার পর বামনা থানার পুলিশ দাবি করে, তাদের কাছ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। মানববন্ধনের নামে রাস্তা অবরোধ করা হয়। সেখানে পুলিশ গিয়ে তাঁদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। কোনো লাঠিচার্জ করা হয়নি।

জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মফিজুল ইসলাম  বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্ত শুরু করলাম। আরও দু–এক দিন সময় লাগবে।’

গত ৩১ জুলাই রাতে মেজর (অব.) সিনহা ও সাহেদুল টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন। বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। সে সময় ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে