প্রথমবারের মত ইতিহাস,  চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে লাইপজিগ।

স্পোর্টস ডেস্ক,

জুভেন্টাস  রিয়াল মাদ্রিদ  যেখানে বিদায় নিয়েছে সেখানেই  নতুন ইতিহাস  করলো লাইপজিগ।

ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফুটবলের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে জার্মানির আর বি লাইপজিগ। গেল রাতের ম্যাচে স্প্যানিশ জায়ান্ট আতলেতিকো মাদ্রিদকে বিদায় করেছে লাইপজিগ, ম্যাচ জিতেছে ২-১ গোলের ব্যবধানে।

করোনায় বদলে গেছে নিয়ম। মাঠে নাই দর্শক। দুই লেগের বদলে নকআউট ম্যাচ। পর্তুগালেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বাকি সব খেলা। দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল জার্মান-স্প্যানিশ দ্বৈরথ। লাইপজিগের সামনে আতলেতিকো।

মাঝমাঠের দখল নিজেদের কাছে রেখে শুরুতে আক্রমণে উঠেছে লাইপজিগ। কাউন্টারে সজাগ ছিল আতলেতিকো। তবে, ফাইনাল থার্ডে গিয়ে খেই হারিয়েছে দুই দলই। ফার্স্ট হাফে  ক্লিয়ার কাট সুযোগ তাই নাই বললেই চলে। 

খরা কাটে বিরতির ঠিক পর পর। লাইপজিগের পাসিং ফুটবলে দিশেহারা আতলেতিকো ডিফেন্স। রাউট উইংয়ে জায়গা বানিয়ে সাবিতজারের ক্রস। ডি বক্সে আনমার্কড ড্যানি অলমো সুযোগটা হেলায় হারাননি। লিডে লাইপজিগ।
 
৫০ মিনিটে খাওয়া গোলটা হজম করতে মিনিট বিশেক সময় নিয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। কৃতিত্বটা পুরোপুরিই বদলি নামা হোয়াও ফেলিক্সের। পর্তুগীজ তারকার গতির কাছে পরাজিত লাইপজিগ ডিফেন্স। স্পটকিকে ফেলিক্স ছিলেন স্পট অন।

১-১ এর সমতায় ম্যাচটা এগোচ্ছিল এক্সট্রা টাইমের দিকে। সমীকরণটা পাল্টে দিলেন লাইপজিগের সুপার সাব অ্যাডামস। ডি বক্সের ঠিক বাইরে জায়গা বানিয়ে ওর নেয়া শট সাভিচের পায়ে লেগে ঠাঁই নেয় জালে। 

ঐ লিডটা ধরে রেখেই ইতিহাসে জায়গা করে নেয় লাইপজিগ। ২০০৯ সালে জন্ম নেয়া ক্লাবটাই তাই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে