Army coup in Mali! President Keita has resigned. মালিতে সেনা অভ্যুত্থান! পদত্যাগ করেছেন প্রেসিডেন্ট কেইতা

আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত মালিতে সেনা অভ্যুত্থান ঘটেছে। বিদ্রোহী সেনাদের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুউবাচার কেইতা এবং প্রধানমন্ত্রী বোবো সিসে। আটক থাকা অবস্থায়ই পদত্যাগের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুউবাচার কেইতা। সরকারি এক মুখপাত্রের বরাতে বিবিসি এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে দেশটির রাজধানী বামাকো থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি প্রধান সামরিক ঘাঁটিতে গুলি ছোঁড়ার মধ্য দিয়ে এই অভ্যুত্থানের শুরু হয়। সারাদিন বিক্ষিপ্তভাবে রাজধানীতে বিদ্রোহী সেনারা সরকারি ভবনে আগুন দেন। রাতের দিকে সামরিক বাহিনীর জুনিয়র অফিসাররা প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের আটক করেন।

২০১৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসেন কিয়েতা। তার পদত্যাগ দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই মালিতে বিক্ষোভ চলছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার ক্ষমতাকালে দেশটিতে জাতিগত সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। যে কারণে সরকার পতনের আন্দোলনে নেমেছে দেশটির জনগণ।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটির সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্স।

A military coup has taken place in Mali, west of the African continent. Rebel forces have arrested President Ibrahim Boubachar Keita and Prime Minister Bobo Sisi. President Ibrahim Boubachar Keita announced his resignation while in custody. A government spokesman confirmed the matter in a BBC report.

The coup began on Tuesday morning with a shootout at a major military base 15 kilometers from the country’s capital, Bamako, according to the BBC. Scattered throughout the day, rebel forces set fire to government buildings in the capital. At night, junior military officers detained senior military officials, including the president and prime minister.

Kiyeta came to power for the second time in 2016. Protests have been going on in Mali for several days demanding his resignation. He is accused of corruption and financial mismanagement. In addition, during his tenure, the country has witnessed an increase in ethnic violence and the country’s security situation has deteriorated drastically. That is why the people of the country have started a movement to overthrow the government.
France, the country’s former colonial power, has strongly condemned the incident

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে