কাকচিড়ায় এখনও কাঁচা রাস্তা;ভোগান্তিতে জনগণ।

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ৬ নং কাকচিড়া ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা।

বর্ষাকালে এই কাঁচা রাস্তা গুলো চলাচলের জন্য একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় হাজার হাজার জনসাধারণকে। এছাড়াও কাঁচা রাস্তার পাশে অবস্থিত এলাকাগুলো উন্নয়নে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।

বর্ষা মৌসুমে উপজেলার বেশিরভাগ গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা হয়। তার মধ্যে অন্যতম কাকচিড়া ইউনিয়নের জালিয়াঘাটা, বৃষ্টির মৌসুমে গ্রামীণ এই কাঁচা সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কাদা রাস্তায় দুর্ভোগে পড়তে হয় গ্রাম অঞ্চলের মানুষকে। ছোট ছোট যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। এমনকি এলাকার রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়ে।

এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষের আসা যাওয়া এবং এই রাস্তা দিয়ে ৩ কিলোমিটার যাওয়ার পর একটি স্কুল মাদ্ররাসা এবং সরকারি একটা ক্লিনিক রয়েছে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়,জালিয়াঘাটা SESDP মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৫% ছাত্র ছাত্রী প্রতিদিন আসা যাওয়া করে এই রাস্তা দিয়ে। অথচ রাস্তার বেহাল অবস্থা কাঁচা রাস্তা দিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। এবং কাদা-পানিতে একাকার হয়ে স্কুলে পৌঁছাতে হয়;এখানের ছাত্র-ছাত্রীদের।
তবুও প্রয়োজনের তাগিদে দুর্ভোগকে সঙ্গী করেই যাতায়াত করছে জালিয়াঘাটার মানুষ।

এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে মানুষ। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী,ছোট শিশু,বৃদ্ধ মহিলা ও লোকজন এতে প্রতিনিয়ত সমস্যায় সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানা যায়।

কলেজ শিক্ষার্থী জানান, “দীর্ঘদিন যাবত তাঁরা কাঁচা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে আসছেন। গ্রাম থেকে প্রায় ২ কিঃ পরেই পাকা রাস্তা পাওয়া যায়। রাস্তা পাকা না করায় যাতায়াত করতে জনগণকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে”।

এলাকাবাসী জানান, আমাদের গ্রামের চার পাচ নং ওয়ার্ডের রাস্তাগুলো এখন পর্যন্ত পাকা হয়নি আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এবং তারা জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাস্তাটি পাকাকরনের দাবি তোলেন।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে