মাত্র পাওয়া;হিজাব পরার অনুমতি দিলেন জার্মান আদালত।

ছবি সংগৃহীত


ইসলামে হিজাব একটি ফরজ বিধান। একটি ইবাদত। নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় শরয়িত হাতিয়ার। এটিকে পালন করার জন্য রয়েছে সুনির্ধারিত পদ্ধতি। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কথিত ইসলাম আইন করে হিজাব পরিধানকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এর বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি লড়াই চালিয়ে নিজেদের ধর্মীয় অধিকার অনেকে নিজ দেশে ফিরে পেয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার জার্মানির বার্লিনের স্কুলে মুসলিম শিক্ষিকাদের হিজাব পরিধানের অধিকার দিয়েছে জার্মানির আদালত। এক নারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কয়েক বছর ধরে চলমান মামলায় ওই রায় দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আলোচিত ওই মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। এত দিন পর্যন্ত মুসলিম শিক্ষিকারা স্কুলে হিজাব পরে যেতে পারতেন না।

আদালতে বলা হয়েছে হিজাব পরে স্কুলে যেতে পারবেন মুসলিম নারীরা। একই সঙ্গে ওই নারীকে পাঁচ হাজার ১৫৯ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারপক্ষের উকিল এরপর উচ্চ আদলাতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত তার রায় জানিয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, হিজাব পরে কোনও মুসলিম নারী যদি স্কুলে যান এবং তাতে যদি শান্তি ভঙ্গ না হয়, তা হলে এতে কোনও অন্যায় নেই। হিজাব পরা এক ধরনের অধিকার। তা থেকে কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না। ফলে মুসলিম শিক্ষিকারা চাইলে স্কুলে হিজাব পরে যেতে পারেন। নিম্ন আদালতের রায়ের সঙ্গে কোনও অংশেই দ্বিমত পোষণ করেনি উচ্চ আদালত।
তবে জার্মান বিশেষজ্ঞদের একাংশের বক্তব্য, জার্মানির নিউট্রালিটি বা নিরপেক্ষতার আইন খুব শক্তিশালী। বার্লিন আদালতের রায় এবং নিরপেক্ষতার আইনের মধ্যে কী ভাবে সামঞ্জস্য রক্ষা করা হবে, তা নিয়ে অনেকেই ভাবিত। নিরপেক্ষতার আইনে বদল আসতে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।
সূত্র: ডয়চে ভেলে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে