‘দূর দিগন্তে’-লেখক ফাতিমা পারভীন|বিডি জার্নালিস্ট

আমার ক্যানভাসে জ্বলনের দাগ
দাউদাউ করে জ্বলে ভাঙ্গনের সুর
বিরহের তাপ ছাড়া নেই আজ কিছু
ধমনীর ভেতরেও আগুনের নদী
দিনলিপির প্রতি অক্ষরে বিষাদের ছোঁয়া
নতুন কক্ষপথে নিকষ কালো নিঃসীম অন্ধকার
শেষের বিকেলে নেই সূর্যের আলো।

তোমার কোমল পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে গেছে
আমার অতীত ও বর্তমান
তবু ঝরাপাতার মতো চলছে অবিরাম ঝরোয়ার খেলা
আকাশে নেই আজ তারায় আলো
তারাদের জীবনচক্র বলতে নেই কিছু,
সময়ের কষাঘাতে হয়ে যায় নক্ষত্রের মৃত্যু
ঠিক যেন আমারই মতো।

অনেক দিন পরে কাঁদতে পারছি বেশ
যদিও কান্নার শব্দগুলো অস্পষ্ট
অথচ শব্দ করেই কাঁদছি আমি
শব্দভাণ্ডার হয়তো দিয়েছে ফাঁকি
চোখের জলে ভেসে যাচ্ছে ভবিষ্যৎ
ভেসে যায় শৈশবের উড়ন্ত উল্লাস আর বিলাস যৌবন
জয় করে নেয়া সমস্ত বাসনা
ভেসে যায় শিশির ভেজা মাঠে উদাসী সকাল
মমতায় জড়ানো মায়াবী আঁচল
বুঝিনি চোখে ছিল এতো এতো জল।

ধূসর সন্ধ্যা নামে শেষের ছায়ায়
পরিত্রাণের অপেক্ষায় কাটে সময়ের কাঁটা
দহনেও পোড়ে সোনালী দুপুর
পুড়ে যায় ছাই হওয়া অবশিষ্ট অতৃপ্ত আত্মা
কালো ধূসর হয়ে উড়ে যায় দূর দিগন্তে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে