মেসি ভক্তদের জন্য সুখবর “বার্সাতেই থাকছেন মেসি”!!

২০২০ অবশেষে নাটকের অবসান হলো। চুক্তির মারপ্যাঁচে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে আটকে রাখলো বার্সেলোনা। যদিও ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছের কথা আগেই জানিয়েছিলেন।

কিন্তু ছাড়তে পারলেন কোথায়? ২০২০-২১ মৌসুমে বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার বহুল প্রতীক্ষিত খবরটি গোল ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের মুখেই জানালেন লিওনেল মেসি। তবে এ থেকে যাওয়াটা যে শুধুমাত্র চুক্তির কোটা পূরণের জন্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ক্লাব ছাড়ার বিষয়ে মেসি যা ভেবেছিলেন হয়েছে উল্টো। তার মতে, আমি ভেবেছিলাম এবং নিশ্চিত ছিলাম যে, ইচ্ছে করলেই ক্লাব ছাড়তে পারি। সভাপতি সবসময় বলত, মৌসুম শেষে আমি সিদ্ধান্ত নিতে

পারব যে আমি থাকব না চলে যাব। ইচ্ছে থাকার পরও প্রিয় ক্লাব ছেড়ে যাওয়া হলো না। আর ক্লাবের সঙ্গে আইনি লড়াইও করতে অনিচ্ছুক ছিলেন মেসি। থাকার সিদ্ধান্তটি মূলত নেওয়া হয়েছে এ দৃষ্টিকোণ থেকেই।

মেসি বলেন, প্রিয় ক্লাবের বিপক্ষে কখনোই আমি আইনি লড়াইয়ে যাব না। এ কারণেই মূলত আমি বার্সেলোনায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে খবরগুলি প্রকাশিত হয়েছে, আমাকে তা প্রচণ্ড কষ্ট দিয়েছে, বিশেষ করে মিথ্যা খবরগুলি।

তারা ভেবেছিল নিজের লাভের জন্য আমি বার্সার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাব। এ ধরনের কাজ আমি কখনোই করব না। আবারও বলছি, আমি চলে যেতে চেয়েছিলাম এবং এটা আমার অধিকার। কারণ চুক্তিতেই ছিল, আমাকে ছেড়ে দেওয়া যায়।” ২০ বছর আগে বার্সেলোনার আঙিনায় আসেন মেসি।

এখানকার আলো-বাতাসে, যত্নে বেড়ে উঠেছেন। প্রতিটি মুহূর্তের বাঁকে বাঁকে কত গল্প লেখা! কিন্তু যখন ক্লাব ছাড়তে চাইলেন, তখন দলের প্রতি তার নিবেদন নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। তাতে আহত হয়েছেন মেসি। তবে কাছের কিছু মানুষকে পাশে পেয়েছেন বলেও জানালেন রেকর্ড ছয়বারের বর্ষসেরা ফুটবলার।

“আমি একাকী বোধ করিনি। কিছু মানুষ আছে, যাদেরকে সবসময় পাশে পেয়েছি। এটাই আমার জন্য যথেষ্ট এবং এটাই আমাকে শক্তি জোগায়। কিন্তু কিছু বিষয়ে আমি কষ্ট পেয়েছি। কিছু লোক, কিছু সাংবাদিক বার্সেলোনার প্রতি আমার নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং এমন সব কথা বলেছে,

যা আমার প্রাপ্য ছিল না। এসব অবশ্য আমাকে মানুষ চিনতে সহায়তা করেছে।“ এর আগে গত সপ্তাহে ৩৩ বছর বয়সী মেসি বার্সার সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন। এরপর থেকে নতুন ঠিকানা নিয়ে চলছিল নানা কল্পনা-জল্পনা। তবে কাতালানরা তাকে ছাড়তে নারাজ ছিল। অন্য ক্লাব তার সঙ্গে চুক্তি করলে রিলিজ ক্লজ হিসেবে বার্সাকে দিতে হতো ৭০০ মিলিয়ন ইউরো।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে