সামাজিক রাজনীতি গড়ে তুলতে হবে

রাজনীতি করা যাবে না, বাবা তোমাকে যেন কোন দল করতে না শুনি, ডায়ালগ প্রতিটি পরিবারের অবিভাবকের। মন্ত্রী হলে সবাই খুশি, সম্মানে সপ্ত আসমান পেয়ে যায়, এমপি তাও কি কম, মেয়র, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান, মেম্বার হলেও আমরা কম খুশি না। এরা কিভাবে হয়, কেন হয়, আমরা কেন তাদেরকে আমাদের মুল্যবান মতামত দিয়ে তৈরী করি।

লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে আজ তারা নেতৃত্ব দিতে আসে আর সেবা চাই আবার আমরাই তাদের কাছে, ঘায়ের ক্ষত তো শুকায়নি তাহলে ব্যাথা চলে যায় কিভাবে। তাদের কাছে আমরা কিছু পাবোনা তা তো আমরাই ঠিক করে দেই আর দোষ দেই সরকারের।

প্রতিটা পরিবার থেকে একজন করে আদর্শবান রাজনীতিবিদ তৈরি করা দরকার, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি করার সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা উচিৎ। আঠারো কোটি মানুষের মধ্যে নেতা কই, আর কে দিবেন নেতৃত্ব? কেউ বলার নেই, যারা বলবে যাদের বিরুদ্ধে তারাই আজ মহা শক্তিশালী, অন্যায় আজ ন্যায় হয়ে গেছে, সত্যি বলতে কোন কথা নেই, সদা সত্য কথাকে পরিহার করবে, সত্য বলে নিজেকে বিপদে ফেলা যাবে না।

কি হবে আমাদের, নিজের পকেটের টাকা মানুষ কে দিয়ে চোর বানাই নিজেকে। সেবার অজুহাতে আজ যারা সে- আবার কি হচ্ছে তা আমরা সবাই দেখতেছি। দেশাত্মবোধ, দেশপ্রেম আজ বাংলাদেশ হন্য হয়ে খুঁজতেছে। মানবতার বিপর্যয়ে মানবতা আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে, মানবতা আজ দেয়ালে, সেলফিতে, পত্রিকায়, মিডিয়ায়, অনলাইনে আর বাস্তবতা ডুকরে কেঁদে উঠছে। আমরা হয়েছি নিষ্ঠুর, নিষ্ঠুরতাই আজ সমাজের ফ্যাশন।

করোনা ভাইরাস কি বলে যাচ্ছে তা ভাবারও আমাদের কোন সময় নেই। রাজনীতির রোষানলে আজ আমরা সবাই বিপদে পড়ে আছি কি হবে তাহলে এই রাজনীতি দিয়ে। তাই সামাজিক রাজনীতি গড়ে তুলতে হবে। সামাজিক কুসংস্কার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেন প্রতিবাদের মাধ্যমে গড়ে উঠে সুন্দর একটা রাজনৈতিক পরিবেশ এই প্রত্যাশায় করি।

আসুন আমরা ভালবাতে শিখি তাহলে অন্যরাও আপনাকে ভালবাসবে, অন্যজনকে সম্মান এবং শ্রদ্ধা করি তাহলে আপনিও সম্মান পাবেন আর নিজেকে বদলে ফেলি, পরিবর্তন করি তাহলে পরিবার, সমাজ এবং দেশ একদিন বদলে যাবে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে