জাপানে আঘাত হেনে শক্তিশালী টাইফুন হাইশেন;দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে অগ্রসর!


ছবি সংগৃহীত

জাপানের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন হাইশেন। রোববার স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে কাগোশিমা উপকূলে আঘাত হানে এটি। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ ঘরবাড়ি। উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিছুটা দুর্বল হয়ে টাইফুন হাইশেন বর্তমানে দক্ষিণ কোরীয় উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

পূর্ব চীন সাগরে সৃষ্টি টাইফুন ‘মেইসাক’ দক্ষিণ কোরীয় উপকূলে আঘাত হানার তিনদিনের মাথায় জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছে আরেকটি শক্তিশালী টাইফুন হাইশেন। রোববার স্থানীয় সময় মধ্যরাতে কাগোশিমা উপকূলে ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার গতিবেগে আঘাত হানে এটি। এ সময় উপকূলীয় এলাকায় ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস সৃষ্টি হয়। লন্ডভন্ড হয়ে যায় পুরো উপকূল।

প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা না গেলেও স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, টাইফুনের আঘাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চার লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও কয়েক লাখ। টাইফুনের প্রভাবে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় বন্যার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া দফতর।

এর আগে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয় অন্তত ৮০ লাখ বাসিন্দাকে। বন্ধ করে দেয়া হয় দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালত। জারি করা হয় সর্বোচ্চ সতর্কতা। সেইসঙ্গে, বাতিল করা হয় কয়েকশ’ ফ্লাইট ও ট্রেনের সময়সূচি।


জাপানের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন হাইশেন। রোববার স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে কাগোশিমা উপকূলে আঘাত হানে এটি। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ ঘরবাড়ি। উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিছুটা দুর্বল হয়ে টাইফুন হাইশেন বর্তমানে দক্ষিণ কোরীয় উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

পূর্ব চীন সাগরে সৃষ্টি টাইফুন ‘মেইসাক’ দক্ষিণ কোরীয় উপকূলে আঘাত হানার তিনদিনের মাথায় জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছে আরেকটি শক্তিশালী টাইফুন হাইশেন। রোববার স্থানীয় সময় মধ্যরাতে কাগোশিমা উপকূলে ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ কিলোমিটার গতিবেগে আঘাত হানে এটি। এ সময় উপকূলীয় এলাকায় ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস সৃষ্টি হয়। লন্ডভন্ড হয়ে যায় পুরো উপকূল।

প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা না গেলেও স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, টাইফুনের আঘাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চার লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও কয়েক লাখ। টাইফুনের প্রভাবে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় বন্যার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া দফতর।

এর আগে পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয় অন্তত ৮০ লাখ বাসিন্দাকে। বন্ধ করে দেয়া হয় দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালত। জারি করা হয় সর্বোচ্চ সতর্কতা। সেইসঙ্গে, বাতিল করা হয় কয়েকশ’ ফ্লাইট ও ট্রেনের সময়সূচি।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে