নারায়ণগঞ্জের তল্লা; এখন শোক আর যন্ত্রণার এলাকা

 
নারায়ণগঞ্জের তল্লা- এখন শোকের পাড়া। র্দুঘটনার চার দিন পার হতে চললেও স্বাভাবিক হয়নি সেখানকার জনজীবন। প্রতিনিয়তই  মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে পরিচিত বা স্বজনরা।  

আবার দগ্ধদের দু-একজন কিছুটা সুস্থ্য হয়ে ফিরেছেন বাড়িতে। স্থানীয়রা বলছেন মূহুর্তের ভয়াবহ আগুনে  একসঙ্গে পুড়ে যাওয়া এতো মানুষ আগে কখনো দেখেনি তল্লাবাসী।

যারা চলে গেছেন- তারা তো জীবন যন্ত্রণার ওপারে। যারা ক্ষত নিয়ে বেঁচে আছেন তাদের যন্ত্রণা আরও বেশি। মো. মামুন। মৃত্যুর খুব কাছে থেকে ফিরে এসেছেন। কথা বলার মতো শক্তি নেই। স্ত্রী পাশে থেকে সেবা করে চলেছেন প্রতিনিয়ত।

খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বেঁচে গেছেন বাইতুস সালাত জামে মসজিদের মুসুল্লিদের অনেকেই। আর যারা অনাকাঙ্খিত এই ঘটনায় স্বজন হারিয়েছেন তাদের দিন কাটছে দু:সহ স্মৃতি নিয়ে।নিহতদের পরিবারের একজন যিনি তার বাবাকে হারিয়েছেন তিনি জানান, ‘পুড়ে একদম কালো হয়েছেন আমার বাবা। একদম চেনা যায় না। সব শেষে আবার বাবাকে বের করা হয়েছে।চশমার ফ্রেম দেখে চিনেছি।’

হয়তো সময়ের ব্যবধানে কেটে যাবে শোক। কিন্তু মূহুর্তের আগুনে পুড়ে যাওয়ার ক্ষত বুকে বিঁধে থাকবে স্বজন হারানোদের। স্বজনদের শোকের ব্যানারে ছেয়ে আছে পুরো পাড়া। নারায়ণগঞ্জের তল্লা এখন যেন শোক আর যন্ত্রণার এলাকা।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে