নওগাঁয় দাদীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ নাতি-আটক


দাদীকে ধর্ষণের অভিযোগে নওগাঁর মহাদেবপুর থানায় মামলায় জাহাঙ্গীর আলম নামে এক যুবককে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে, স্থানীয়রা জানায়, নওগাঁর মহাদেবপুরে বিধবা দাদীর সাথে সৎ নাতির পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল।


শনিবার রাতে জাহাঙ্গীর আলম তার বিধবা দাদীর ঘরে ঢুকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়। তাদের আপত্তিকর অবস্থায় গ্রামের লোকজন আটক করে। রোববার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালামের নেতৃত্বে গ্রাম্য মাতব্বররা নিয়ে বৈঠক বসে। দফায় দফায় ঘটনাটি টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়ে আপসের চেষ্টা করা হয়। তবে বিধবা দাদী টাকার বিনিময়ে আপস করতে রাজি না হয়ে নাতিকে বিয়ের দাবি জানায়। পরে ওই বিধবা মহাদেবপুর থানায় নাতি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে। পুলিশ দুপুরে জাহাঙ্গীরকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়।

আ’প’ত্তি’ক র অ’ব’স্থা’য় দাদী ও নাতিকে আটক করার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম জানান, গ্রামের লোকজন আপত্তিকর অবস্থায় রাতে দাদী ও নাতিকে ঘরে আটক করে তাকে খবর দেয়। সকালে ঘটনাস্থলে একবার গিয়েছিলাম জানিয়ে তিনি বলেন, টাকার বিনিময়ে আমি কোনো আপস- মীমাংসা বা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করিনি। তবে স্থানীয় গ্রামের মাতব্বররা সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছে বলে জেনেছি।

স্থানীয়রা জানান, চকরাজা গ্রামের নাসির উদ্দীনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪২) তার দাদার মৃত্যুর পর দাদার বিধবা ছোট স্ত্রী (দাদি) হাসিনা বেগম (৪০) এর সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জুয়েল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চকরাজা গ্রামের এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন সৎ নাতি জাহাঙ্গীর আলম। তার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ভিকটিম দাদীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে মেডিকেল করানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন ওসি

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে