মঠবাড়িয়ায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ; লম্পট ধর্ষক গ্রেফতার।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করে ধর্ষিতা মাদরাসা ছাত্রীর পিতা অটোচালক বাদী হয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থানায় ওই মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষক নাঈম শরীফ (২১) ও তার বড় ভাই মো. মহারাজ শরীফ (২৮) কে গ্রেফতার করেছে।

এ মামলার আসামীরা উপজেলার তেতুঁলবাড়িয়া (ভাঙ্গাপোল) এলাকার হানিফ শরিফের ছেলে ও স্ত্রী।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, ধর্ষিতা মাদরাসা ছাত্রী ও ধর্ষক নাঈম শরীফ সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই-বোন। ধর্ষনের শিকার ওই মাদ্রাসা ছাত্রী উপজেলার গুদিঘাটা দখিল মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। ধর্ষক খালাতো ভাই এর আগে বিভিন্ন সময় ওই মাদরাসা ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব সহ বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ ব্যাপারে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা তার ভায়রার ছেলে ওই অভিযুক্ত নাঈমের বড় ভাই মহারাজ ও তার মা তহমিনাকে জানালে তারা নাঈমকে সর্তক না করে বিবাহের প্রস্তাব দেয়।

তারই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা ইকোপার্কে ঘুরতে নিয়ে যায়। পরে রাতে সেখান থেকে ফিরে ধানীসাফা বাজার সড়কের পাশে মোজাম্মেল হোসেনের (ট্রিপল মার্ডারের ঘর) পরিত্যক্ত ঘরে অবস্থান করে রাত্রি যাপন করে ও ওই মাদরাসা ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক রাতভর ধর্ষণ করে।

ম’ঠ’বা’ড়ি’য়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, এ ব্যাপারে মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বুধবার রাতে মামলা করেছে। এ মামলায় অভিযুক্ত মহারাজকে বুধবার ও নাঈমকে বৃহস্পতিবার বহেরাতলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে