পটুয়াখালীর মহিপুরে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত প্রার্থীরা

জহির রায়হান,কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ


নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মহিপুরে শেষ মুর্হুতে প্রচার প্রচারণায় জমে উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাঠ। এ নিয়ে দিনক্ষন যতই এগিয়ে আসছে প্রার্থী ভোটারদের মাঝে উৎসব ততই বাড়ছে। আগামী ২০ অক্টোবরে কুয়াকাটা মহিপুর থানার সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নিয়মিত গণসংযোগ, পথসভা, মতবিনিময়ে অংশ গ্রহন করছে।

শেষ মুহুত্বে প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ধরনা দিয়ে একটি ভোটের আশায় নানা ধরনের আশ্বাস দিচ্ছে। এদিকে প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হচ্ছে শান্তিপূর্ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায়।


এই বারের মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৭৯ জন এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৫৯৩ জন আর নারী ভোটার ৭ হাজার ১৭৬ জন। ভোটাররা ০৯ টি কেন্দ্রে তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আ: মালেক আকন্দ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো: ফজলু গাজী নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করছে। এছাড়া ৯টি ওয়ার্ডের সাধারন আসনে ৩৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী আসনে ০৮ জন নারী নির্বাচনে অংশগ্রহন করছে। তবে বিএনপি কোন প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি।


নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী থাকলেও বিএনপি দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় দলীয় ভোটাররা বিপাকে রয়েছে। তারা এখন নৌকা ও ধানের শীষের প্রার্থীদের বাদ দিয়ে স¦তন্ত্র প্রার্থীদের দিকে ঝুকছে। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কদর বাড়ছে। উভয় প্রার্থীই ভোটারদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের সুবিধার্থে রা¯তাঘাট, স্কুল-কলেজ, সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রতি দেন।


নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন হাটবাজার, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নির্বাচনী পোস্টার ঝুলতে দেখা গেছে। তবে ভোটারদের মধ্যে তেমন একটা উৎসাহ-আগ্রহ দেখা যায়নি। রয়েছে সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে সংশয়ও। মোয়াজ্জেম পুরের বাসিন্দা ছালাম বলেন, ‘দেশের যে অবস্থা, কাজ না থাকলে বাড়ি থেকে খুব একটা বের হই না। করোনা ভাইরাসে পরিবেশ-পরিস্থিত স্বাভাবিক থাকলে ভোটকেন্দ্রে যাব।নজিবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিক ব্যাপারী বলেন, যারা এ এলাকার উন্ন্য়নে কাজ করবে তাদের আমরা ভোট দেব।


আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আ: মালেক আকন্দ বলেন , এ এলাকার যত উন্ন্য়ন তা এ সরকারের অবদান। আওয়ামী লীগের বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে। যখনই সুযোগ পেয়েছি, এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশেছি। নির্বাচনে ভোটারদের কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচনে আমি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো ।


স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো: ফজলু গাজী জানান , যদি সুষ্ঠ নির্বাচন হয় তাহলে জনগনের আকাঙ্খার প্রতিফলন হবে এবং আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো । কলাপাড়া নির্বাচন অফিসার আবদুর রশিদ জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে লক্ষে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।#

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে