পাথরঘাটায় কিশোরী ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

প্রতীকী ছবি।

রুবেল আজমিন, স্টাফ রিপোর্টারঃ

বরগুনার পাথরঘাটা বলেশ্বর আবাসনে কিশোরী ধর্ষন ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা! গরীবের ঈজ্জৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। জানাগেছে,ওই আবাসনের গরীব মাছধরা জেলে আলতাফ হাওলাদারের কিশোরী কন্যা মুক্তা আক্তার(১৫)কে বাবা মায়ের অনুপস্থিতিতে ধর্ষন করে প্রতিবেশী তাফালবাড়িয়া গ্রামের নূর হোসেনের বখাটে ছেলে রুবেল(২১)।

৯জুলাই রাত ১১টার দিকে এঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বাবা নদীতে মাছ শিকারে ছিলেন আর মা নিকটস্থ এক আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন । ছোট দুটি ভাইবোন সামনে র চৌকিতে ঘুমিয়ে থাকায় ধর্ষক রুবেল পিছনের দরজা দিয়ে আবাসনের ওই ছোট্ট ঘরে প্রবেশ করে। এসময় বাহিরে দাঁড়িয়ে ধর্ষককে তার অপকর্মের সহযোগিতা করে তার প্রতিবেশী আব্দূস সালামের ছেলে কাওছার (৩০)।


ধর্ষনের পর ওই কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ধর্ষক ও তার সহযোগী পালিয়ে যায়। আবাসনের বাসিন্দাদের সাথে ধস্তাধস্তির সময় রুবেল ও কাওছার ১জোড়া জুতো রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মাসুম মিয়ার বাড়িতে ধরাধরি করে নিয়ে যাওয়া হয় ধর্ষিতা রক্তাক্ত কিশোরী কে। চলতে থাকে নানা রফাদফার চেষ্টা। বিচার পেতে ধর্ষিতাকে নিয়ে পরিবারটি চলে আসেন থানায়। পুলিশ মামলা নিতে নানা পন্থায় কালক্ষেপন করে। জানিয়ে দেয়া হয় ওসি সাহেব নেই এবঙ তিনি না এলে মামলা নেয়া যাবেনা।


এর মাঝে ঈজ্জৎ লুন্ঠনকারি ধর্ষকের বাড়ি তে গিয়ে ওঠে কিশোরী। তার ঈজ্জৎ নিয়ে ছিনিমিনি না খেলে তাকে স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতির দাবী জানায় সে। কিন্তু ধর্ষিতাকে ফের মারধর করে ধর্ষকের স্বজনেরা। এবিষয়ে পাথরঘাটা থানার ওসি মোঃ শাহাবুদ্দিনের মুঠোফোনে ডায়েল করলে এএস আই তারিকূল বলেন,ওসি সাহেব বরিশাল গেছেন তাই এরকম কোনো মামলা হয়েছে কি হয়নি এবিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে