পায়রা নদীর ভাঙ্গনের তীব্রতা;আমতলী পৌর শহর হুমকির মুখে।

নুরুল উল্লাহ আমতলী প্রতিনিধি

পায়রা নদীর ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধিতে শহর রক্ষা বাঁধের সিসিব্লক সরে যাওয়ার ফলে ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়ছে বরগুনার আমতলী পৌর শহর। বিগত ২২ বছরেও সংস্কার হয়নি শহর রক্ষা বাঁধের সিসিব্লক। এতে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে অনেক স্থাপনা। এর দ্রুত সংস্কার করা না হলে বিলীন হয়ে যেতে পারে পাউবো অফিস, খাদ্যগুদাম, মুক্তিযোদ্ধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, লঞ্চঘাট কাঠপট্টি ও ফেরিঘাট সহ একাধিক ঘরবাড়ি।

জানাগেছে, ১৯৯৮ সালে আমতলী পৌর শহরকে পায়রা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় ফেরিঘাট এলাকা হতে পাউবোর অফিস পর্যন্ত শহরের বাঁধ প্রকল্পের অধীনে সিসিব্লক স্থাপন করা হয়। ওই সময় নিম্ন মানের কাজ করার ফলে অল্পদিনের মধ্যেই ব্লক সরে যেতে থাকে। ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মাহাসেন, রোয়ানু, বুলবুল, ও আম্পানের ফলে প্রভাবে আমতলী পৌর শহর সংলগ্ন পায়রা নদীর সিসিব্লাক সরে ও ভেঙ্গে যাচ্ছে। এর ফলে ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, কাঠপট্টি, পুরাতন লঞ্চঘাট, শ্মশানঘাট ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকাসহ সতাধিক বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

লঞ্চঘাট এলাকার মাসুম বিল্লাহ বলেন, পায়রা নদীর ব্লক সরে যাওয়ার ফলে লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, কাঠপট্টিসহ আমাদের স্থানীয় ঘরবাড়ি খুবই হুমকির মুখে । এমনকি অনেকের রাতে ঠিকমত ঘুমও হয় অতংকে। আমরা দ্রুত এর সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।

আমতলীর পৌর মেয়র বলেন, পায়রা নদীর ভাঙ্গনের ফলে দিনদিন পৌর শহরের আয়তন কমে আসছে। ভাঙ্গনে বহু সরকারী বেসরকারী স্থাপনা হুমকির মুখে। পুরাতন সিসিব্লক সরে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।দ্রুত বাঁধ সংস্কার করা না হলে ভাঙ্গনের ভয়ারহতা আরো বৃদ্ধি পাবে।তিনি আরো বলে, এই শহর রক্ষায় পায়রা নদীতে ৩ কিলোমিটার ণির্মান করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের ইহা দ্রুত সংস্কারের দাবি জনাচ্ছি।
বরগুনা পানি উয়ন্নন বোর্ডের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোঃ আজিজুর রহমান সুজন বলেন, আমতলী পৌর শহর রক্ষায় বাধেঁর ডিবিপি উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প পাস হয়ে আসলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে