তিস্তার স্পার বাঁধে ধস, ভাঙন হুমকিতে কয়েকশ’ পরিবার

BDJOURNALIST
ফাইল ছবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি, ২১ জুলাই

তিনদিন চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি। এলাকাবাসীর সেচ্ছাশ্রম, বালু ভর্তি জিও ব্যাগ, এমনকি বাঁশের বান্ডল দিয়েও রক্ষা করা যায়নি কুড়িগ্রামের রাজারাহাটের ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের বুড়িরহাটে অবস্থিত তিস্তার স্পার বাঁধের স্যাঙ্ক। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও এলাকাবাসীর চেষ্টাকে ব্যর্থ করে বাঁধটির প্রায় ৫০ মিটারেরও বেশি অংশ সোমবার (২০ জুলাই) ধসে যায়।

পাউবো, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বুড়িরহাট গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ হোসেন জানান, কয়েকদিন আগে বাঁধের পূর্ব প্রান্তে একটি বড় গর্ত হয়। এতে বাঁধের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয়রা বালু দিয়ে গর্তটি ভরাট করে। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। এরপর তিস্তার পানি বাড়তে থাকলে ¯্রােতের আঘাতে বাঁধের পূর্ব প্রান্তের স্যাঙ্কে ধস শুরু হয়। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানালে এলাকাবাসীসহ তারা ধস ঠেকানোর চেষ্টা করেন।

কিন্তু পানির চাপ ও ¯্রােতের তোড়ে শেষ রক্ষা হয়নি। সোমবার বাঁধটির পূর্ব প্রান্তে প্রায় ২শ’ ফুট ধসে যায়। এতে করে বাঁধের ভাটি অংশে শতাধিক পরিবার ও কয়েকশ’ হেক্টর আবাদি জমি মারাত্মক হুমকিতে পড়েছে। পাউবো, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, নদীর ¯্রােতকে তীর থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়াই স্পার বাঁধের মূল কাজ। তিস্তার ওই বাঁধটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এর পিচিং সহ স্যাঙ্কের প্রায় ৫০ মিটারেরও বেশি অংশ ধসে গেছে।

আমরা চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। মূলত নদী ভাঙনে এর নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে।বাঁধের অংশ ধসে যাওয়ায় ভাটির বসতি ও আবাদি জমি ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে, স্থানীয়দের এমন দাবির ব্যাপারে জানতে চাইলে এই নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন,‘ ওই অংশ দিয়ে খুব বেশি পানি প্রবাহিত হচ্ছে না। আমরা আগামীকাল  (মঙ্গলবার) থেকে আবারও এটি মেরামতে কাজ করবো এবং ক্ষতিগ্রস্থ অংশটি ভরাট করে ফেলবো। আশাকরি তখন কোনও সমস্যা থাকবে না।’

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে